সিগারেটের মত নিঃশব্দে জ্বলো তুমি
নিজের মাদক গভীরে,
আর নিকোটিন ধোঁয়ায় বুঁদ হয়ে
আমি পুড়তে থাকি
ছাই হতে থাকা ফুসফুসে।
তবু বলে যাই-
ঈর্ষা তুমি যেও না চলে
তার মত,
পুড়তে দিয়ে মরতে দিয়ে
আমাকে তুমি বাঁচতে দাও।
গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, সাখাওয়াত্।
কবিতাটায় দুটো বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। একটা হল- ঈর্ষা কী/কী করছে, আর একটা- আমি ঈর্ষাকে কীভাবে চাই। কবিতাটাকে আরো বড় করা যেত কিনা অথবা আরো স্মুথলি শেষ করা যেত কিনা তা জানি না। তবে এটুকু জানি, এই কবিতা চেষ্টা করলেও এর চেয়ে বেশি লিখতে পারতাম না।
Comments (8)