মেঘ বলে ডাকা যেত তোমাকে,
অথবা উচ্ছল রৌদ্র।
ঘাসের সোঁদা ঘ্রাণও পাই কখনো সখনো
শরীরে তোমার।
তুমুল চাহনিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত হয়ে
জল ভেবে ভুল করেছি যে কতবার!
নিঃসঙ্গ খেচর হয়ে বসেছি
তোমার মায়াবী শাখায়-
তবু বৃক্ষ বলি নি।
অসহ্য ঘ্রাণে বিদ্ধ হয়ে খুব ভিতরে
নেশাময় রক্তিম হয়েছি-
তবু গোলাপ বলি নি।
বলা যেত সর্বাঙ্গ ছুঁয়ে যাওয়া বাতাস,
বলা যেত সর্বস্ব পুড়িয়ে ফেলা হুতাশ,
নিমগ্ন ঘাসফড়িং, সুউচ্চ শঙ্খচিল,
এমনকি নাম দিতে পারতাম
আমার সমগ্র পৃথিবী।
কিন্তু আজ এই সুদূর রাতে,
আঁধারের সর্বগ্রাসী স্রোত যখন মজ্জায় প্রবহমান,
বুক পকেটে যখন শুধুই একটি জোনাকি
তখন তোমাকে জোনাকি বলতে খুব ইচ্ছে করে,
ইচ্ছে করে নাম দেই তোমার
রূপটইটুম্বুর রূপালী জোনাকি।
Comments (10)