অন্ধের দর্শন
চারদিক নিস্তব্ধ। নেই কোনো সাড়া-শব্দ। শুধু আঁধারে ঘেরা চারপাশ। বোধ হয় স্নিগ্ধ চাঁদের আলোয় লুকোচুরি খেলছে একঝাঁক জোনাকি। দল বেঁধে তারা উড়ছে আর কেমন যেন অদ্ভুত এক শব্দ করছে। কি রে আমাকে বলবি না ওরা কি বলছে?গান গাচ্ছে তাই না?জোনাকির গান!কতদিন পরে শুনলাম!কখনো আবার থেমে যায় ওরা। হয়ত বসেছে কোনো পাতায়। কচুপাতা হবে হয়ত। শেয়ালের ডাক না!কোথা থেকে আসছে রে?দূরে না কাছে?ডাক শুনে তো দূরেই মনে হয়। নাহ হাঁটতে পাচ্ছি না। এতো কাদা কেন?আবার কোথাও কোথাও পিছলা মনে হয়। বৃষ্টি হইছে নাকি?কবে হইলো?আমাকে বলিস নি কেন?একটু ভিজতাম। বুড়ো হয়েছি বলে কি বৃষ্টিতেও ভিজতে পারব না নাকি?আম আসছে নাকি?মুকুলের গন্ধ পাচ্ছি মনে হয়। গ্রীষ্ম এলো নাকি রে?কালবৈশাখী হবে তো। বাইরে যাবি না। কি রে ছটু?কই গেলি রে হতভাগা?এইতো দিদিমা এখানেই আছি। আলো ধরছি। ওরে গাধা আলো আবার ধরা যায় নাকি রে!ওটা জোনাকি রে হতচ্ছাড়া। এই তো দেখ তুই আমার হাতের মধ্যে আলো মিটমিট করে জলছে। কই রে আমি তো আন্ধারই দেখতাছি।
Comments (6)