নিজে এবং নিজেরে এই বিষয় নিয়ে সবাই আপষহীন। নিজের জিনিস ,নিজেস্বতা  আর আমিত্ব্য সবটার মধ্যেই যে কি একটা আপন আপন ভা্ব লুকিয়ে আছে। আর আমি সেই আমিত্ব্য টাই খুজে খুজে হতাশ আমার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।

আড্ডা ,হাসি আর অস্থির পড়াশুনা করেও কেন যেন মনে মনে একটা কি যেন নাই নাই মনে হয়। অনেক ভাবার পর দেখলাম সেটাই আমিত্ব্য বা নিজেস্ব্যতা।
স্যার ক্লাসে যখন ট্রাইবুনাল আর কোর্ট এর পার্থক্য পড়ান বা ক্রিমিন্যাল প্রসেডিং সিভিল প্রসেডিং পড়ান তখন কেন যেন আমার মন টা একটা ভালো ডিজিটাল ক্যামেরার দিকে চলে যায়। কোন ল্যান্স টার মধ্যে কেমন র্পাথক্য তা নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে। তখণ কেন জানি এই নিজেস্ব্যতা টা খুজে পাই। একটা প্রশান্তি চলে আসে চোখে মুখে। একটু ভলো লাগা কাজ করে নিজের অজান্তেই।
ইচ্ছা আর অ-ইচ্ছা এই ব্যপারটা বোধহয় ডিকশনারিতে না থাকলেই  ভালো হত।
তাহলে সবই নিজের মত হত। তখন বোধহয় র্সব জায়গায় নিজেস্ব্যতা আর আমিত্ব্য টা খুজে পাওয়া যেত।

শত হতাশা আর আবেগ ইচ্ছা গুলোকে যখণ ফেলে এসে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাস থেকে বের হই তখনও একটা হাসি ফুটে মুখে। একটা কথা ভেবে। সেটা ভবিষ্যৎ। ড্রিম টু বি এ ল’ইয়ার। শত মানুষের শ্রদ্ধা ভক্তি আর ভালোবাসায় মিলে মিশে হয়তা এক সময় খুব একটা ব্যাস্ত সময় পার করবো। হয়তো তখন ভুলেই যাবো ছবি তোলার ইচ্ছা টা। হয়তো এটাই বাস্তবতা অথবা এটাই আমিত্ব্য্। অথবা না আর কিছু খুজে পাচ্ছি না।