চাঁদের আলোয় তাঁরায় জ্বলে মরিয়া নিশি রাতে
ছোটে চলে আকাশে নতুন প্রভাতে ,
কোন এক ভাল দেওয়ানা মনের আশাতে
নিজের আশায় খুঁজে কিছু পায় , তবু খুঁজি ভাই ,
তুমি এসে ধরা দিবে বলে
এই আকাশে, বাগানের বাতাসে সাজিয়েছি ফুল বাড়ি ,
ছলনাময়ী নীরব হইয়া চলে গেলে সবছারি ।
রক্ত মাখা লেখায় ছিল চঞ্চল
প্রানডালা উধাস উধাস ফের হলনা আর মিলন ,
ঘর বাচিবার তিব্র নিন্দায় ধরে রেখেছে ভুবন ।
তোমার চেখারা বুঝি অশ্রুমাখা দুঃখিনীর কান্না
হৃদয়ে প্রানময়ে লেখায় লিখেছিলে ধরা মনের ছলনা ,
যে সুখ দেখানো লোভে সকলে হয়েছিল দেখা
ইতিহাসের পাতায় নামটি তাহার কি হবে লেখা ।
স্বপনে ভরা স্বার্থে কেমনে দেখানো পালায়
কে বলিবে সে ছিলেন কষ্ট দুঃখের মন জালায় ,
তোমার কণ্ঠে সূর তুলেছি , নবজাগরণ হাতে শক্তি
পারিবনা তোমাকে ভুলিতে , প্রতি তোমার রহিল ভক্তি ।
চাঁদের আলোতে মাথার জনমনে উপরেতে জাগরন
ভাবিয়া মজিতে পারি আমরা ভাগ্যবান ।
চরনে মাথার উপরে তুলে ধরা আর
কে তুলিবে সে ঝরনার নামে অহংকার ,
খেলিতে খেলিয়া ভুলিয়া নবপ্রভাতের জাতি
সর্বস্বান্ত এখন যে হয়েছিলে তুমি সাথি ।
আঁধারে ডেকেছে কালো মিলিবেনা আর ছেখারার মিল
তোমারে নিয়েছিলাম কত গোপনের সপনের জনম ,
দূর থেকে করি তাই তোমারে প্রনাম ।
পৃথিবী ঝরিয়া কাধিল , কাছে থেকেও না পাই
কষ্ট ঝরানোর বেথায় থামিলনা চোখের জল তাই ,
দূর থেকে শুনে কাধিল এত মমতা ময়ি জালার কান্না
ভাবিয়া ভেবে ধরি আশীর্বাদে চিরক্ষণে-
এই জাতি শতভুলেও রাখিও মনে । ।
রফিকুল ইসলাম ( রয়েল )
Comments (1)