যারা টিএসসি চিনেন তারা জানেন অভিজিত দাদাকে যেখানে মারা হলো সেখানটির 10-15 হাত ব্যবধানে পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনি, টিএসসির মোড়ে শতশত মক্তবুদ্ধিচর্চাবাদীদের ভিড়, বই মেলাগত ও প্রত্যাগত হাজার হাজার মানুষ, ফটো সাংবাদিকদের ক্যামেরা-মোবাইল ক্যামেরার ছরাছরি, প্রশাসনের নিশ্ছিদ্ধ নিরাপত্তা, পোষাক আর সাদা পোষাকে র্যাব-পুলিশ-ডিবি সহ প্রশাসনের হর্তাকর্তারা। কেমন করে এমনি একটি জায়গাতে দুটো মানুষকে বেদম কোপানো হয়??
কিছু ঘটলেই প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার আপ্রাণ প্রচেষ্টা যাদের থাকে তারা কোন বাচবিচার না করেই বলে ফেলেন এটা জামায়াত-শিবিরের কাজ। প্রকাশ্য দিবালোকে বিশ্বজিৎ, হাজার জনতার মাঝে অভিজিতরা খুন হয়। খুনিরা চিন্হিত হলে প্রগতিবাদী-মুক্তবুদ্ধিবাদী-কথিত মানবতাবাদী-প্রশ্নবিদ্ধ মিডিয়াবাদী-ব্লগারবাদীদের মুখে কুলুপ এঁটে থাকে আর খুনিরা চিহ্নিত না হলেই এক যোগে সাঁ-সাঁ-রা-রা হৈ-হৈ করে ওঠে এটা ওই জামায়াত-শিবির মৌলবাদীদের কাজ। এই কি অভিজিৎদের মুক্তবুদ্ধি চর্চা???
বিগত 20 বছরের মধ্যে জামায়াত-শিবিরের উপরে যত খুনের দোষ চাপানো হলো নিশ্চিৎ প্রকৃত খুনিকে আড়াল করার জন্য এবং যারা এটা করে তারা সফল। জামায়াত-শিবিরের দিকে চোখ রেখে তদন্ত করলে পৃথিবীর কোন শক্তি আসল খুনিকে খুঁজে পাবে না। ফলে অভিজিতের খুনিরা অধরাই থেকে যাবে।
আমরা চাই আসল খুনিরা চিহ্নিত হোক, খুনিদের বিচার হোক। আর যেন কোন অভিজিতকে নির্মম খুনের স্বিকার হতে না হয়।
Comments (5)