আকাশে কালো হয়ে যাওয়া মেঘ উড়ে, হাত বারিয়ে ধরতে ইচ্ছে করে। মাঝে মাঝে পেটের ভেতর কেমন জানি একটা মোচড় দেয়। অস্থিরতার সেই আনন্দের সীমা আকাশ ছোঁয়া।

সুভ্রঃ তুমি বেঁচে আছো?

মরে গেলে ৩ টি লক্ষন দেখতে পেতে না যে।
বৈশাখের ঝড়
বিড়ালের ডাক
আর সুভ্রর ছায়া
তো আজকাল কি ভ্রমরের ডাক শুনতে পাও না আর?

তোজাম্মেলের বইটা যে ফেরত দেয়া হয়নি। তাই চলে এলাম মিষ্টি খাওয়ার ধান্ধায়। কি অদ্ভুত তুমি যে আছো এখনো সেই কাল-বৈশাখের মত। আমায় মনে পরে বুঝি? কিন্তু জনম জ্বলা পদ্মা কৈ চালকের বৈঠা।।

মাফ করবে, আমি কিঙ্কর জেগে নই, অপ্রাপ্তি গুলো নিয়ে বসে নই তবু ।

তা, ভালো আছো?

যতটা খারাপ ভেবেছিলে তার চেয়ে কম বৈকি।

দিন গুল মনে পরে?

আসলে সময় হয় নাহ। কেটে যায় কিছু ধরা বালিকা, আমি তো আর আনাচে কানাচে ঘুরতে পারি না, তো বৈকাল বেলা সাঁঝ দুপুর পেরোলে হয়তো ভাবি কিছু।
তাই তুমি টিটকারি করোনা। সবার তো আর ...

একবার প্রেম নিবেদন করা যাবে?

ভুল রত্নে পা দিয়েছিলে; এতদিনে বোঝার বয়স পেরিয়ে বুড়ি হয়ে গেছি। রন্তে মরিচা পরে গেছে; তবু সুপাত্র বলা চলে।

বাড়ানোর কথা নয়।
যে থাকে
যে কহে
বদলে গান
তোমার দুপুর
আমি আজও
তবে কি এভাবে হাসবে?

নাহ, দূরমূল্যের বাজারে যেতে চাই নাহ। ভালো আছি বরং; আমার নীল আকাশ, মোচড়ানো আদর, কিছু হাসি, আর সেই কথা গুলো।

তুমি থেকো নিরবে, আমি আছি সেই বেঁচে থাকা বসন্তে।