আমরা মাইক্রো-বাস চালিয়ে রাতের বেলা কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যেতে পাড়ি কারণ, মাইক্রো-বাসের হেডলাইট এর আলো দিয়ে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা পর্যন্ত রাস্তার পুরু অংশটুকু দেকতে পারিনা। যদি পুরু রাস্তার কোথায় কি আছে দেকতে পেতাম তাহলে হয়ত দেখতাম রাস্তার কোথাও ছিনতাইকারী দাড়িয়ে আছে, কোথাও প্রচণ্ড যানজট, কোথাও রাস্তা ভাঙ্গা, কোথাও আরো খারাপ কোন কিছু। তখন আর আমরা বাসা থেকে বের ই হতাম না। ফলে আমাদের আল্টিমেট গোল যেটা অর্থাৎ কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যাওয়া সেটা আর হত না। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে যেহেতু হেডলাইট এর আলো বেশি দূর পর্যন্ত যায়না সেহেতু আমরা কোন বাঁধাকে দেখতে পাই না। মনেকরি পুরু রাস্তা ঠিক আছে। কিন্তু পুরু রাস্তা আসলে ঠিক থাকে না। এমন হতে পারে আমরা সেখানে যাওয়ার আগেই ছিনতাইকারী ছিনতাই করে সেখান থেকে চলে গেছে, হয়ত যাওয়ার আগেই যানজট কমে গিয়েছে, সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। বাস্তব জীবনে আমরা এই উদাহরণটা কাজে লাগাতে পাড়ি। আপনি যখন কোনকিছু করবেন বলে ভাবছেন তখন খুব বেশি কিছু ভাবার দরকার নাই। যেটুকু না ভাবলেই না সেটুকু ভাববেন। খুব বেশি আদ্যোপান্ত ভাবা শুরু করলে আপনার সামনে এ রকম অনেক কিছু আসবে যা দেখে আপনি ভয় পাবেন। ফলে আপনি আর কাজটি করতে পারবেন না। কিন্তু দার্শনিক ত বলে গেছেন “ ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিয়ো না ”। তাহলে আমি ভাবব না কেন? খুব বেশি বেশি আদ্যোপান্ত ভেবেই কাজটা করব কি না সিদ্ধান্ত নিব ! দার্শনিক যে ভাবতে বলেছেন তার ডিউরেশান কতটুকু সেটা আমি জানি না, তবে এটা ঠিক যে খুব বেশি ভাবতে গেলে যে আপনি কাজটা শুরু করতেই ভয় পাবেন তা লিখার সুরুতে যে উদাহরণ দিয়েছি তা দেখেই বুজতে পারবেন। যদি এমন হয় অল্প ভাবার কারনে আপনি ব্যর্থ হলেন তাহলে সেই খতিটাকে মেনে নিন। কারণ এই বার্থ হয়েও আপনি ভালো থাকবেন , কারণ ভয় পেয়ে কাজ শুরু না করতে পারা আরো কষ্টের।