শিব্রামকেপ্রনাম জানিয়ে
আজকে যে আমার অঙ্ক করতে ভালো লাগে তার পেছনে বিজনের একটা ভূমিকা আছে।বিজন না বলে বিজনে ঘুরে বেড়ান ঐ একলা সারমেয়র ভূমিকা বলাই শ্রেয়।
বিজনের বাড়ি মাঝে মঝেই যেতাম। ছুটির দিনে বিজনে বিজনের সাথে আড্ডা মেরে কাটান ই চক্রান্ত। দ্বি চক্র যানেই এই বিজন পথে বিজনাভিসার। সেই সময় ই ঐ বিজনপথে্র একছত্র অধিপতি সেই বিজনবিলাসী সারমেয়র আবির্ভাব। সম্ভবতঃ আমার এই দ্বিচক্রের চক্রদ্রুতগতি তার পছন্দ হয় নি; মনঃপূত হয় নি।যানবাহনের প্রতি তার প্রেম লঘূকরণ করা হয়েছে মনে হ্য়।নিজের গতির গরিমার প্রতি তার আত্মগরিমা স্বাভাবিক। অতএব আমার দ্বিচক্রের চক্রদ্রুতগতি তার অপছন্দ এবং দেখি-কে-আগে-যায় প্রতিযোগিতায় নামাই সে প্রয়োজন বোধ করল।
দুর্ভাগ্যক্রমে দ্বিচক্রযানের আরোহী ছিলাম আমি। এই অসমপ্রতিযোগিতার অনিচ্ছুক কিন্তু একান্ত দর্শক এবং আংশিক অংশ গ্রহণকারী। ভয়ংকর জলাতঙ্ক সম্বধে আমার সম্যক জ্ঞান আছে। কোনক্রমে গতিবৃদ্ধি করে উল্টোপথে ঘরে ফেরাই মনে হোল বেটার।
ঐ জলাতঙ্ক রোগের ভয়ই আমার বিজনপথে বিজন সন্দর্শনে যাওয়ায় জলাঞ্জলি দিতে বাধ্য করল। ঘরে বন্দী। সময় কাটাতে গিয়েই অঙ্কের অঙ্কে অঙ্গস্হাপন । জলাতঙ্ক ই এর মূলে। মূল এই ফর্মূলা সমূলে তোদের ই প্রথম জানালাম।
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.