সৎ কাঠুরের গল্প জানা কাটতে গিয়ে কাষ্টখানা পড়েছিল কুঠারখানা পাশের নদীতে। পাড়ে বসে কাঠুরিয়া কি ঘটিবে তা স্মরিয়া আয় করিবে কি করিয়া লাগিল কাঁদিতে। জলপরীর মায়া হল সোনার কুঠার দিল রুপার কুঠার দিল কাঠুরিয়া নিল না। কাঠুরিয়া সৎ ছিল জলপরী তা বুঝিল কাঠের কুঠার দিল কাঠুরিয়া নিল তা। পরী তারে খুশি হয়ে তিনটি কুঠার দিয়ে সততার গান গেয়ে করিল বিদায়। পরীর সে উপহারে ভাগ্যের চাকা ঘুরে দরিদ্র সে কাঠুরে ধনী হয়ে যায়। প্রথম ঘটনা এই সততার মৃত্যু নেই পরের ঘটনাতেই হইবে প্রমাণ। শুধু সততায় নয় জীবন সফল হয় যদি সে আসলে হয় সৎ বুদ্ধিমান। কাঠুরিয়া নদী পথে আপন বধুর সাথে শ্বশুর আলয়ে যেতে চলে পাল তুলি। হঠাৎ দমকা ঝড়ে নৌকা উল্টে পড়ে নদীজল বধুয়ারে নিয়েছে গিলি। কাঠুরিয়া ভেবে মরে নয়নের জল ঝড়ে কেমনে ফিরিবে ঘরে বন্ধু ছাড়া। দিন যায় রাত যায় কাঠুরিয়া নিরূপায় ঝরিছে দুচোখে হায় অঝোর ধারা। জলপরী মায়া করি কাঠুরের কাছে ফিরি সুন্দর এক নারী দেখাল তারে। কাঠুরিয়া মনে মনে কী ভাবিয়া পরক্ষণে খুশি হয়ে কাছে টেনে নিল উহারে। পরী বলে লোভী তুমি তোমারে চিনেছি আমি এককালে সৎ ছিলে মনে আছে নাকি। আপন বধুরে ফেলে অন্যেরে কেন নিলে তাহারে কি গেলে ভুলে সুন্দরী দেখি। কাঠুরিয়া বলে পরী ভুলিব কেমন করি দিয়েছিলে কৃপা করি তিনটি কুঠার। এখন কৃপার ফলে তিনটি বধুরে দিলে কেমনে লইব তুলে ঘরেতে আমার?
‘সব দান সব সময় গ্রহনযোগ্য নয়।’
Comments (6)