আর ভালো লাগে না এই যান্ত্রিক সভ্যতা, এই নগর জীবন। প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেয়ারও একটু জায়গা নেই এখানে। মানুষগুলোও সব রোবোটিক। আমিও মনে হয় হয়ে যাচ্ছি তাদের মতো। অথচ এক সময় আকাশ না দেখলে নিজেকে অন্ধ মনে হত, নদীর পাড়ে বসে কিছুক্ষণ সময় অতিক্রম না করলে নিঃশ্বাসে তৃপ্তি আসত না। আজ এখানে সেই নদী নেই, আকাশটাকে পাথুরে মনে হয়।
বাড়ীর সামনের রাস্তাটার পাশে বসে কত সময় কাটিয়েছি, কত সময়ের যে অজানা সাক্ষী হয়ে আছে ওই রাস্তাটা, তা কেবল আমি-ই জানি। নদীর পাড়ে বসে বিকেল গড়িয়ে যেত, পাখিরদের গানে মুখরিত ছিল সেই পাড়টি।
বাড়ীর পেছনে যে বিলটি ছিল ওখানে মাঝে মাঝে বিকেলে হাঁটতে যেতাম।সোনারঙ ধানগুলো পড়ন্ত রোদের আলোয় সোনার মতই চকচক করতো। অসাধারণ দৃশ্যটি ছিল হাজারো পাখির এলোমেলো ছুটে চলা।
আজ সব হারিয়ে গেছে স্মৃতির বন্দি ফ্রেমে। এখন শুধু কল্পনাতেই সব দেখি। বাস্তবতা জীবন থেকে অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে। ঠিক বুঝে উঠতে পারি না কোনটা বাস্তবতা- আমার সেই এলোমেলো দিনগুলো নাকি আজকের এই স্বেচ্ছাবন্দি জীবন ???
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.