সম্রাট রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছে। সাথে তাঁর কলিগ। সম্রাট এখন শ্যামলী যাবে। ওখান থেকে বাসে করে উত্তরা। হঠাৎ একটা হুন্ডা ওর সামনে দাঁড়াল। হুন্ডা চালক তাঁর হেমলেট খুলল।
- আপনার নাম সম্রাট নয়?
অনেকদিন পর এই নামটা শুনল সম্রাট। এটা তাঁর কলেজের নাম। এখন ওকে সবাই আসল নামে চিনে সবাই।
-হ্যা।
- আপনি সিদ্ধিশরি কলেজে পড়তেন না।
-হ্যা।
- আমি বর্ণ। বাসের জানালা ভেঙ্গে আমার হাত কেটে ছিলাম।
বেশ কয়েক বছর আগে ফিরে যায় সম্রাট। ১৯৯৭ সালে। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের ছাড়পত্র পেল। সেদিন বর্ণ নামের ছেলেটা সম্রাটের ফতুয়া পড়ে রাস্তায় মানুষদের রং মারছিল। একটি বাস জানালা বন্ধ করে যাচ্ছিল। হাত দিয়ে জোরে ঘুসি। হাত রক্তে লাল।
রনি ঘুমিয়ে ছিল। রনি ঘুমিয়ে আছে। রনি ঘুমিয়ে থাকবে। এভাবে সারাজীবন থাকবে। এভাবে সারাজীবন থাকতে হবে। সবাই তাকে এভাবে রাখবে।
মিশু একটা কবিতা লেখেছে। ৫০ লাইনের কবিতা। তা কোথায় প্রকাশ করবে। কার মাধ্যমে প্রকাশ করবে। কেউ কি প্রকাশ করবে? মাত্র ৫০ লাইনের কবিতা। মিশু বাংলায়্ এম এ করেছে। অল্পের জন্য প্রথম বিভাগ মিস করেছে। কেন যে মিস করলো?
নিরব একটি প্রেম করেছে। তাঁর একটি প্রেমিক আছে। কিন্তু তাঁর দুই বড় বোকা ভাই থাকার জন্য্ সে বিয়ে করতে পারছে না। সব বড় ভাইগুলো বোকা হয় কেন? একটা প্রেম করতে পারে না।
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.