সততার পুরস্কার
হযরত ওমর (রা) এর ছিল যখন শাসন
এক বৃদ্ধা দুধে পানি করতেন মিশ্রণ।
একদা পানি মিশ্রণ কালে
মেয়ে তার দেখে ফেলে।
মেয়ে শুধালো মাকে
ওমর যদি দেখে
তোমায় নিয়ে জেলে
গর্দান দিবে ফেলে।
মা শুধালো, দেখবে কিভাবে ওমর
পানি মিশ্রণ করতেছি ঘরের ভিতর।
ওমর কে দিতেছ ফাঁকি দরজাকরে বন্ধ
ওমরের আল্লহকে কিভাবে দিবে ফাঁকি তিনি কি অন্ধ?
মেয়ের এই কথা কাঁটার মতো বিধঁলে মায়ের বুকে
পানি ছাড়া দুধ নিয়ে মা ছুটলেন বাজারের দিকে।
আজ দুধ নিল যারা কিনে
আজ ও আগের দুধের প্রার্থক্য গেল তারা জেনে।
জিজ্ঞাসীলে তারা প্রার্থক্যের কারণ
বৃদ্ধা বলিলেন ,দুধে পানি মিশ্রন করতে মেয়ে করেছে বারণ।
দুধে পানি মিশ্রণের অপরাধে দরবারে হয়ে হাজির
বিচারের সম্মুক্ষীন হলে কাজীর
খলিফা ওমর দেখে মেয়ের ঈমানী শক্তি
মেয়েটির প্রতি তাঁর হৃদয়ে জন্ম নিল ভক্তি।
মেয়েটির চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্যে হয়ে মুগ্ধ
স্নেহের বাঁধনে মেয়েটিকে করতে চাইলেন আবদ্ধ।
তাই সততার কথা শুনে
মেয়েটিকে পুরস্কৃত করলেন নিজ পুত্র বধু করে এনে।
জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে
মেয়েটির কথা রাখলে স্বরণ
পাল্টে যেতো পৃথিবীর ধরণ।
বস্ মালিক কিংবা সরকার
আজ না জানলেও আমার গোপন কাজ কারবার
যিনি আমাদের রব
তিনি জানেন সব।
এই বিশ্বাস থাকলে মনে
পাপ করতে পারে না মানুষ কোন ক্ষণে।
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.