ছন্দ ছাড়া অজানা বসুধা বক্ষে একলা আমি
নিখিলের তরে প্রাতের ত্রিভূবনে উস্ষ্ণ শিশিরে।
জেগে থাকা ভোর বিহনে রাখাল ছেলের বাঁশি
প্রভাত ফেরী যায় লুঠিয়ে বট তলার ছায়াতে।
যেমন পাখিদের কলতানে মিষ্টি মধুর হাসির স্থলে
পাণ্ড্যলিপিতে লোকিয়ে থাকে সাহিত্যিকদের গল্প গাঁথা।
ভাবনার জগতে বাস করে স্বপ্নহীন কল্পনার পাহাড়
উম্মাদের মাথায় আছে যন্ত্রণার তাবিজর ছেলে খেলা।
প্রেমিকের হৃদয়ে জ্বলে সন্দেহের কালো দীপ্ত প্রহর
বাঁশ বাগানে যেতে চাইলে কাঁটা করে তুমুল আঘাত।
সূর্যের কিরণে পৃথিবীতে আসে উত্তপ্তের লেলিহান উষ্ণ
শহরের অলিতে গলিতে মিশে থাকে বিষাক্তের ঘনঘাঁটা।
তেমনি কখনো জীবনের শেষ আঁখির ছলে চলে যাবে
একটা সময়ে পাড়ি দিতে হবে অঝোর কালো রাত্রিতে।
Comments (1)
Only registered members can comment. Log in