রূপসীরে দেখেছি রে স্বপন ঘোরে
থাম্ না বাপু! অধির কেন! বলছি তোরে।
নধর দেহ, ফোটা যেন পুষ্পকলি
অধর যুগল! মাখা যেন ডালিম লালী।
কপোল তলে সাঁঝের অাভা যায় যে খেলে
নয়ন ঠেলে লাজের লাভা যাচ্ছে গলে
মেঘের কালো দিয়ে যেন অঞ্জন আঁকা
হরিণী চপল ডাগর নয়ন স্বপন মাখা
কেশের ঝাঁপি কাঁপি কাঁপি গেছে নেমে
বিভাবরীর কালি সেথায় গেছে থেমে
দোদুল কোমর বিভোল মনে ছন্দ তোলে
কোমল চরণ ছূঁয়ে ধূলি ভূবন ভোলে
চন্দ্রিমা মুখ, জোছনা হেথা উপচে পড়ে
অংশুমালীর পাংশু মুখে হিংসে ঝরে
দীঘল তনু, বাঁকে বাঁকে ঢেউ খেলে যায়
অতুল আবেশ, মোহের ছটা, নিপুনতায়
দেখলে তারে উথলে পরান শান্তি বানে
সে অপরূপ কান্তি সুখের জোয়ার আনে
যতোই বলি তা-ও যে কম তার উপমা
থামছিরে বাপ্, যদিও কঠিন অল্পে থামা।।
Comments (12)