বাংলাদেশের যুবকদের স্বনির্ভর করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তোলা হচ্ছে। সরকারের সহায়তায় তারা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছে। বাংলাদেশের সব জেলায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ নেওয়া যুবকদের ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। যাতে করে তারা নিজেরাই কিছু করতে পারে। দেশের যুবকদের মানবসম্পদে পরিণত করতে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমানে শিক্ষানীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন শিক্ষানীতি গ্রহণ করা হয়েছে সেখানে ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এখন যুব নারীরাও প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। ‘চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে না ঘুরে যেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।এ জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে জামানত ছাড়া ২ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়। যুবকেরা জামানত ছাড়া ঋণ নিয়ে নিজের কাজের ব্যবস্থা করতে পারে। পাশাপাশি অন্যের কাজের ব্যবস্থা করতে পারে তারা। ‘বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে জনগণ যাতে প্রতারিত না হয় সেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার। যারাই বিদেশে যাবে, তারা প্রশিক্ষণ ছাড়া যেতে পারবে না। যাতে সেখানে গিয়ে কোনো ধরনের দুর্ঘটনায় না পড়ে। সঠিকভাবে বেতন পাবে কি না, সত্যিকারে কোনো কাজ আছে কি না এসব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য যুব সমাজ ভুল যেন ভুল পথে না যায়, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে যুবকদের দূরে থাকতে হবে, শান্তির ধর্ম ইসলামে জঙ্গিবাদের জায়গা নেই। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এগুলো থেকে দূরে থেকে নিজের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নতি হবে।