বিরবির করে কি যেন বলছিল লোকটা-
কেউ কেউ পাগল ঠাউরে পাত্তা দিচ্ছিল না,
কবি ভাবাপন্ন একজন এগিয়ে গেল আগন্তুকের কাছে
বোঝার চেষ্টা করলো তার কথাগুলো।

কবি দীর্ঘক্ষণ নিবিড় পর্যবেক্ষণের চেষ্টায়
বুঝতে পারলেন তিনি অহেতুক কিছু বলছেন না
কিংবা পাগলের প্রলাপ বকছেন না।
তবে তিনি কি এমন বলছেন যা অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু!

তিনি বলছেন, অধঃপতিত সমাজে
পতনে নিমজ্জিত মানুষের কথা
নীতিহীন মানুষকে নীতিবান করার
সতর্কবানী শোনাচ্ছেন।

ঘুনে ধরা সমাজকে বদলে দেয়ার কথা বলছেন
আগন্তুক, দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন ভালো পথের
কিন্তু আকণ্ঠ নিমজ্জিত দুষ্টেরা নিজেদের পাপের
ভারে ডুবে তাকেই পাগল ভাবছেন।

কবি বুঝলেন, আগন্তুককে বোঝার মতো বোধবুদ্ধি
কিংবা চিন্তাশক্তি এদের নেই। যেখানে এমনতরো
অবস্থা সেখানে চিন্তাশীল, শুভবুদ্ধির লোকেরাই বরং বেশি বেমানান আর এদের চোখে পাগলের প্রায়!

কাজীপাড়া, মিরপুর
০৫।০৯।২৬