মনটা ভাল নেই, বড় একা লাগছে
আলাদা হয়ে আছি সমাজ থেকে,
আমার আপন পৃথিবী থেকে
ভোতা হয়ে গেছে অনুভুতি আর বিবেকের ছুরিটা
নিজেই পড়েছি ধরা নিজের বেষ্টনীতে।

সুশীল সমাজ একাকীত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ
শামুকের মত গুটিয়ে নিজের আয়নায়
নিজেই দেখি ভয়াবহ পলাতক এক প্রতিবিম্ব
কাকে ডাকব, কাকে বলব, সবাই চেনা হয়েও অচেনা।

পাশের বাড়ীর প্রসবিনীর আর্ত চিৎকারে কানে তুলো দিই
পাশের ঘরে রশিতে ঝুলে আত্বহত্যার আর্তনাদ শুনতে পাইনা
সন্ত্রাসীদের হুংকারে দায় এড়িয়ে ভয়ে হই জড়োসড়ো
দূর থেকে দেখি মাস্তান খুনীদের খুনের দৃশ্যপট।

মহল্লার সুন্দরী মেয়েটার মুখে লম্পট ছেলেরা
যখন অ্যাসিড মেরে পালিয়ে যায়
উঠতি বয়সের ছেলেরা কিশোরী মেয়েদের
যখন উত্যক্ত করে প্রতিদিন।

আমি তখন নেড়ী কুকুরের মতাে
লেজ গুটিয়ে এক কোনে দাড়িয়ে থাকি
আমার গায়ের চামড়া
গন্ডারের চামড়াকেও হার মানায়।

নিজের সবুজ আঙ্গিনাকে করেছি রক্ত লাল
বেদনার চাদরে মুখ লুকিয়ে করেছি নিজের সর্বনাশ
জীবন থেকে পালিয়ে বেড়ানোর স্বপ্নে বিভোর হয়ে
হারিয়েছি বহু স্বজন, আপন হয়েছে পর।

এ কেমন তর সর্বনাশা জীবন।
এ চেয়ে ঢের ভাল, আপন করে নেয়া মরণ।