এদেশের চিকিৎসা ও শিক্ষা সেবাগুলো এখনো শহুরকেন্দ্রীক! কিছুই নেই! খালি কিছুসংখ্যক কমিউনিটি ক্লিনিক যেখানে জরুরি ওয়ার্ডও নেই!, কিছু অপর্যাপ্ত জনবল দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই আর কি!
নব্বইয়ের দশকে আমার জন্ম সাবরাংয়ের একটি গ্রামে। তখন থেকেই দেখে আসছি এলাকায় অন্ততঃ ১০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল পর্যন্ত নেই, শারীরিক অবস্থা বেগতিক হলেই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দৌড় মারতে হয়। কারণ টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালেও তেমন বেশী সংখ্যক ফিজিক্যাল টেস্ট নেই। ডায়াবেটিস, হার্ট এসব নিয়ে টেকনাফে থেকে গেলে আরো বেশী কষ্ট পেতে হয়।
সেই নব্বইয়ের দশক থেকেই দেখে আসছি, শিক্ষার সুযোগের কথাই বলি, সেখানেও একি অবস্থা! মেডিকেল শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, অনার্স কোর্সে ভর্তি ইত্যাদির জন্য টেকনাফ ছাড়তে হয়।
আরেকটি কথা, ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই যুগে উখিয়া-টেকনাফে একটি ইংলিশ ভার্সনের স্কুলই নেই!
ভাইসব, আমরা এত প্রভাব-প্রতিপত্তি, বিদ্যা অর্জন ও উন্নয়ন নিয়ে কি করবো যদি নিজের বসবাস করা এলাকা যদি চিকিৎসা ও শিক্ষায় পিছিয়ে থাকে?
আসুন, ত্রাণ গ্রহণের সংস্কৃতি ছেড়ে নিজেরা আগে পরিবর্তিত হই, তারপর সামাজিক সুবিধা অবকাঠামো পরিবর্তন করি।
অক্টোবর ৩০, ২০২১
মাহবুব নেওয়াজ মুন্না ::: লেখক ও উন্নয়ন সংস্থা শেডে কর্মরত
Comments (4)