কুমারী রমণীর অপেক্ষার মৃত্যু
আমি অদ্যাবধি কুমারী
মন যা চায় তাই করি।
কিশোরীর দেহ-মন
প্রেম-ভালবাসার আলিঙ্গন
অন্বেষণ করত সারাক্ষণ।
ভালবাসার তীব্র নেশায়
নিজেকে দেইনি ভাসিয়ে-
জৈবিক চাহিদায়।
ব্যক্তিত্বের সংঘাতে
আশেকের ভালবাসা থেকে
আড়াল করে রেখেছি নিজেকে
বসবাস করছি আপন জগতে।
রুচিশীলতার প্রেক্ষাপটে
নোংরা ভালবাসার তল্লাটে,
নিজের সম্ভ্রম বিসর্জন দেইনি অকপটে
সবই রেখে দিয়েছি স্মৃতি-বিস্মৃতির দৃশ্যপটে।
লোকচক্ষুর ভয়ে
কাতর না হয়ে
অমোঘ চিন্তা ও স্বাধীনতার লয়ে,
আপনাকে যুক্ত করতে পারিনি অন্য আলয়ে।
চেয়েছিলাম যারে
পাইনি তারে
যৌবনের শেষ তরে-
প্রত্যাশার ঘরে,
নিহারা করি অনাগত যুবকেরে।
আলো অাধারের খেলাঘরে
সে চায় না মোরে
তার জীবনের তরে।
দিন যায়
রাত যায়
মাটির প্রহেলিকায়,
বসে ভাবি হায়
কী করি উপায়।
যৌবনের দিনগুলোর শেষ প্রান্তে এসে
বিভীষিকাময় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে বসে,
কুমারী রমণীর অপেক্ষার মৃত্যু ঘটে
আপন অন্তর্দ্বন্দ্বের ঘটন-অঘটনে।
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.