এবারও আবার মহিষমর্দিনী পুজায়,
কালনা যাওয়া বাতিল হলো।
লাবণ্য, তোমার মতি হঠাৎ কেন বদল হলো?
এত করে সাজিয়ে গুছিয়ে পুরোদস্তুর প্ল্যান করলাম।
প্ল্যন সকলই কেন এমন ভেস্তে গেল?
আরও একবার মহিষমর্দিনী পুজায় কালনা যাওয়া,
বাতিল হলো, বাতিল হলো, বাতিল হলো।
সবাই মিলে হাফলাং-এর হিল স্টেশনে ঘুরতে যাব।
হঠাৎ করে হড়পা বানে, ভাসিয়ে দিল স্টেশনটাকে।
দাঁড়িয়ে ছিল রেলের গাড়ি,
তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে উল্টে দিল।
স্টেশনটাকেই একেবারে গুঁড়িয়ে দিল।
শৈল-সফর ভিস্টাডোমে ভেস্তে গেল।
অনেক দিনের শখের পরে প্রথম শ্রেণি সপরিবারে,
স্বপ্নটাকে বানের জলে ভাসিয়ে নিল।
সেবার পূজায় কাঠগোদামে,
কৌসানি আর আউলি হয়ে
নৈনী লেকে বোটিং সেরে,
কেবল-কারে পাহাড় ঘুরে,
হুডখোলা এক জিপে চড়ে,
ভরদুপুরে পৌঁছে যাব হরিদ্বারে,
সহস্রধারায় মুখ ভিজিয়ে,
কেম্পটি ফলসে সাঁতার দেব।
মুসৌরিতে মস্তি করে আসবো ফিরে,
এমনতর প্ল্যানটা ছিল।
ট্রেন যাত্রা, হোটেল, গাড়ি, সবকিছুরই বুকিং ছিল।
ছুটির জন্য আপিল করে যখন আমি বসের ঘরে,
মুচকি হেসে ‘ছুটি বাতিল’ বস-বাবাজি জানিয়ে দিল!
আমায় একা কাঁদিয়ে রেখে বাঘ-এক্সপ্রেস বেরিয়ে গেল….
Comments (2)