লাবণ্য, অনেকদিন তোমার সাথে কথা হয়নি,
কাল দুপুরে ভাতঘুমে তুমি এলে!
কতদিন তোমায় দেখিনি,
তোমার স্নানের সুবাস এখনো বাতাসে ভাসে !

এসো আবার দুজনে মুখোমুখি বসি-
টেরাকোটা পেয়ালায় ফিল্টার কফির ঘ্রাণ নিতে নিতে।
‘কথোপকথন’ থেকে প্রেমের কবিতা পড়ি।
লাবণ্য হয়ে যাক নন্দিনী আর আমি শুভঙ্কর।

নন্দিনীর চিঠি উড়ে যাক ময়দানের ঘাসে,
শুভঙ্কর বাড়ি ফিরুক মাঝরাতে শেষ দোতলা বাসে।
শুভঙ্করের প্রেম লাট খাক ধর্মতলার ট্রামের তারে,
নন্দিনী বাড়ি ফিরুক কল্যাণী সীমান্তের মহিলা কারে।

আমাদের কফি জুড়িয়ে যায় টেরাকোটা পেয়ালায়,
খোলা ‘কথোপকথন’ পড়ে থাকে টেবিলের পাশে।
খালি পায়ে লাবণ্য হেঁটে যায় আমার বাগানের ঘাসে,
লন পার…গেট পার…ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় রাস্তার বাঁকে…