একদিন রাত থাকতে থাকতে চলে যাব নর্মদার তীরে,
এক নির্জন গুহায় বসে গহন নিমগ্নতায়।
সব পাওয়ার আনন্দ শিকেই তুলে,
সব না পাওয়ার ক্ষোভ ভুলে,
নির্মল চিত্তে নর্মদার স্রোতের মত,
নিরন্তর বয়ে যাবে আমার সর্বত্যাগী চিন্তা,
পশ্চিম সাগরের দিশায়।
সারা শরীর জুড়োবে আমলকী বাতাসে,
দুধ সাদা মার্বেল পাথরের উপর,
পীত কৌপীনে, বসে বসে রাত দিন জপ করব ‘রেবা’ নাম,
প্রখর তপন তাপে রেবা মা আমার শরীরে জড়িয়ে দেবে-
শীতল কুয়াশার ঘন চাদর, আমার কষ্ট লাঘব হবে।
কোনো গ্রামবাসী রেখে যাবে কিছু ফলমূল,কন্দ,
ঘটি ভরা ফেনিল দুধ, খোয়া, মধু…
আমার পাশ দিয়ে ঘুরে যাবে লাবণ্য, কুর্চি, বনলতা, নীরা;
কেউ আমার স্বপ্নে আসতে পারবে না!
কারণ আমি এখন আর নেই ঘুমের দেশে।
এখন আমি কঠিন তপস্যায়, মায়ের কাছে পৌঁছাতে চাই!
মা আমার সাদা ধবধপে থান পরে,
চোখে সোনালি ফ্রেমের চশমা-
এখনো কি সেই শিংশপা বৃক্ষের নিচে আমার অপেক্ষায়?
Comments (2)