এবার মহিষমর্দিনী পূজা ১২ই শ্রাবণ,
লাবণ্য তোমার জন্য ১১ তারিখ
বন্দেভারতে টিকিট করেছি, প্রথম শ্রেণী, লোয়ার বার্থ ।
শোভনকে বলেছি তোমায় পৌঁছে দেবে, গৌহাটিতে ওর ঈনোভায়।
আমার জন্য একটা 'আইভি' চারা এনো এবার, বাই কালার॥
সকালে আমি তোমায় রিসিভ করবো হাওড়া স্টেশনে।
'যাত্রীনিবাসে' ফ্রেশ হয়ে সোজা পার্ক স্ট্রিট, ফ্লুরিস’এ ব্রেকফাস্ট,
সেখান থেকে কল্যানী এক্সপ্রেস ধরে- কালনা, দু'ঘণ্টার পথ।
মাঝে বাঁশবেড়িয়ার থামবো, হংসেশ্বরী মন্দির দেখবো,
অনেকদিনের ইচ্ছে , দেখা হয়নি, আজ তোমার সাথে…
ভাঁড়ে চা খাব সাথে বেকারি বিস্কুট।
কালনায় তোমার উপযোগি হোটেল নেই, আটপৌরে গেস্টহাউসে রুম।
দুপুরে মহাপ্রভুর ঝাঁকি দর্শন সেরে, গুরুর বাড়িতে 'ভোগ' দিয়ে মধ্যাহ্নভোজন
সন্ধ্যায় পায়ে হেঁটে রাজবাড়ি ঘুরবো! ১০৮ শিব মন্দির, প্রতাপেশ্বর মন্দির,
পঁচিশ চূড়ার লালজি আর কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির, রাসমঞ্চ—তাপস সেনের আলোয় উদ্ভাসিত।
পরেরদিন সকালে মহিষমর্দ্দিনির পূজো দিয়ে,
গঙ্গার ধারে প্রাচীন "ডাঙ পুতুল" নাচ দেখাবো তোমায়।
'ভবপাগলার' আশ্রম ঘুরে, গঙ্গার ওপাড়ে যাবো
ঘাট পেড়িয়ে, বিখ্যাত নিখুঁতি খাব শান্তিপুরের ঘাটে।
রাত জেগে যাত্রা দেখবো মা’র চাতালে বসে।
ফেরারদিন প্রথমে সিদ্ধেশ্বরী বাড়ি, তার পর নামব্রহ্মর বাড়ি,
সেখানে সিঁড়িওয়ালা কুয়োতে গঙ্গার জোয়ার ভাটা, বুড়ি মায়ের স্নানের জন্য!
সন্ধ্যায় তোমার কামরূপ এক্সপ্রেসে ফিরতি যাত্রা, বাতানুকুল দ্বিতীয় শ্রেনী!
ও-রে-ভোয়া! আবার দেখা হবে---
ট্রেন ডিসটেন্স সিগন্যাল পার হয়ে যায…প্লাটফর্মে তখনও তোমার শরীরের সুবাস - - -
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.