বনলতা তোমার জন্যে একটা মাটির দোতলা গড়েছি ধানসিঁড়ির ঢালে।
খড়ের ছাউনি, উঁচু বারান্দায় দুটি কলুঙ্গা,
গোবর ছড়ায় নিকানো উঠোন,
হিজলের নীচে তুলসী তলায় রোজ প্রদীপ জ্বলে।
শারদীয়ায় সাদাবালির চিকচিক্ পাড় কাশফুলে দুধসাদা।
এখানে কোন হামাম নেই,নদীতে স্নান…
তুমি আসবে কি?
লাবন্য তোমার জন্যে সুবনসিরি নদীর গাঘেঁসে
একটা ধুপিকাঠের বাংলো করেছি।
নীচে প্রশস্ত স্নানাগার আর ডাইনিং কাম স্টাডি,
উপরে ত্রিভুজাকার শয়ন কক্ষ, বড়বড় কাঁচের শার্সি দেওয়া জানালা।
নদীর ধারে ওক গাছে লম্বা দোলনা।
দুপুরে ছিপে ধরা গোল্ডেন মহাশোল দিয়ে ভোজন পর্ব,
বিকেলে দুজনে গা ধুতে ধুতে বালি থেকে সোনা কুড়োবো..
তুমি আসবে তো?
নীরা তোমার জন্যে বেলুড়মঠের ঠিকপাশে
এক বনেদী জমিদারের বাগানবাড়ি কিনেছি।
পুরোনো বাড়ি তোমার উপযুক্ত করে রেনোভেট করেছি।
নীচের লাল মেঝে চটিয়ে ইটালিয়ান মার্বেল,
দোতালায় মোজায়েক তুলে উডেন ফ্লোর।
ছোট্ট একটা বার কাউন্টার সাথে লাইব্রেরি।
গাড়ী বারান্দার উপর ব্যালকনি,
ম্যাজেন্টা রঙের বোগেনভিলীয়ায় শোভিত।
গঙ্গা পর্যন্ত বিস্তৃত ম্যানিকিউরড লন,
রঙিন পাতাবাহার, মরশুমি ফুল,লনে গার্ডেন চেয়ার,
লাল-নীল ছাতার নীচে বসে বিকেলে পটে দার্জিলিং চা।।
তুমি থাকবে কি?
Comments (0)
No comments yet. Be the first to comment.