‘রাজনীতি করলে ‘চাড়াল’-‘মুচি’র সঙ্গেও আলোচনায় বসতে হয়?’এই একটি মাত্র কথা আমাকে ব্যথিত করেছে ।একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে ছোট করা হয়েছে।বর্ণবাদের মত স্পর্শকাতর বিষয়টিকে তুলে আনা হয়েছে।আমি এতোটাও ব্যথিত হতাম না যদি কিনা কথা পাড়াগাঁয়ের কেউ বলতো।এটি বলেছেন একজন অসাম্প্রদায়িকমনা ব্যক্তি।যিনি মুক্তিযুদ্ধের অস্তিত্বে আপোষহীন,বঙ্গবন্ধুর জন্য যার নিবেদিতপ্রাণ,শিক্ষিত ,মার্জিত ,দেশকে ভালবাসেন ,দেশের প্রতিটি অংশকে ভালবাসেন।বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কথাই বলছি।গণমানুষের এই নেতা হয়তো ছোট দল বুঝাতে উপরোক্ত কথাটি ব্যবহার করেছেন কিন্তু মনের অজান্তেই ছড়িয়েছেন বর্ণবাদী চিন্তা।যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বলে থাকেন তবে তাঁর উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।স্বাধীনতার পরে আমরা চেয়েছি একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে।তাই রাজনৈতিক ভাষাটাও যেন হয় অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বলিয়ান।