তোমাকে দেখিনা বছর পাঁচেক।
এর মধ্যে বৃদ্ধ নিয়ামত আলির
যক্ষা হয়েছে।প্রতিদিন সকালে
এখন মোরগ ডাকার শব্দের
বদলে শুনি নিয়ামত আলির
বুক ভেংগে যাওয়া কাশির আওয়াজ,
গেল পাচ বছরে।

"আমার পুরোটা শুধু তোমাকেই দিবো",
বলেছিলে বছর পাঁচেক আগে।
আমি তখন শান্ত চড়ুইপাখি থেকে
মনে মনে তীক্ষ্ণ ঠোটের ঈগল।
আমার মুখোমুখি নরম পেলব তুমি।
অন্য কোন চড়ুই,কিংজ্ঞবা
নীল মাছরাংগা।

পাচ বছরে বেশ এগুনো যেতো।
বাস,ট্রাক,ট্রেন,হলার,
যেকোন কিছুতে।
ঘর থেকে বেরুলেই,
রংগীন পৃথিবী।
নেশা অথবা নারী,
পাহাড় অথবা সমুদ্র,
প্রিয় অথবা অপ্রিয়।

অথচ পুরো বছর পাঁচেক,
সব সকালে বৃদ্ধ নিয়ামত আলির
অপ্রিয় কাশি।
ঘুম ভাংগানিয়া গান,
ইমন কল্যানের খেয়াল,
প্রিয় আমার।

এখন আকাল খুব ভালোবাসার।
কাড়াকাড়ি করে মানুষে মানুষে।
বৃদ্ধ নিয়ামত আলি বেশ আছে।
কোন কিছুর সাতেপাচে নেই।
ভালবাসা বাসি, অথবা দীর্ঘ
বছর পাচ।

আমিও নিয়ামত আলির মত
ঘরের কোনে চুপচাপ,
মনের কলকব্জায় জং,
বছর পাঁচেক,
তোমাকে না দেখা
ভীতু,
ক্লিব,
অকেজো মানুষ।।

রুমা,বান্দরবান।।
২৩/০২/২০১৫।।