আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শহিদ মিনারে বেড়াতে এসেছে শহিদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের আত্মা। স্বর্গে বসে তারা জেনেছে যে, বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন বাংলাভাষী অঞ্চলে তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা আজ বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা। তাদের ভাষাপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জাতিসংঘ একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে তৈরী হয়েছে শহিদ মিনার। গর্বে বুক ভরে যায়। স্বচক্ষে দেখার জন্য স্বকর্ণে শোনার জন্য তারা বেড়াতে আসেন শহিদ মিনার। গর্বে বুক ভরে যায়। শহিদ মিনারে লাখো মানুষের ঢল। ফুলে ফুলে ছেড়ে গেছে শহিদ মিনার। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গেয়ে গেয়ে ফুল হাতে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছে সবাই। শিশু-বৃদ্ধ,. নারী-পুরুষ, গরিব-ধনী, হিন্দু-মুসলমান সবার হাতে ফুল।
লাল টুকটুকে জামা পরে ছোট্ট মেয়েটি এসেছে তার বাবার হাত ধরে। শহিদদের রক্তের মত লাল গোলাপগুচ্ছ হাতে। চোখে তার রাজ্যের বিস্ময়। হয়তো এই ভাষা শহিদদের মতো সেও প্রথম এসেছে শহিদ মিনারে। আগ্রহভরে বাবাকে জিজ্ঞাসা করে শিশুটি, “পাপা, হাম কিঁউ ফুল দেনে কে লিয়ে আয়া?”
বাবা উত্তর দেন, “ইন নাইনটিন ফিফটি টু, ইন দ্যা সেইম ডে আওয়ার মাস ব্রাদারস ম্যাকরিফাইক্সড দেয়ার লাইভস ফর আওয়ার মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ইউ আর হিয়ার টু সো রেসপেক্ট টু দেশ। আন্ডারস্ট্যান্ড?”
- “ইয়েস ড্যাড।”
হিন্দি সিনেমাভক্ত ও ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া মেয়েটি মাথা দুলিয়ে জানালো যে সে বুঝেছে। সত্যিই আশ্চার্য! আশ্চার্যজনক লজ্জা!
লাল টুকটুকে জামা পরে ছোট্ট মেয়েটি এসেছে তার বাবার হাত ধরে। শহিদদের রক্তের মত লাল গোলাপগুচ্ছ হাতে। চোখে তার রাজ্যের বিস্ময়। হয়তো এই ভাষা শহিদদের মতো সেও প্রথম এসেছে শহিদ মিনারে। আগ্রহভরে বাবাকে জিজ্ঞাসা করে শিশুটি, “পাপা, হাম কিঁউ ফুল দেনে কে লিয়ে আয়া?”
বাবা উত্তর দেন, “ইন নাইনটিন ফিফটি টু, ইন দ্যা সেইম ডে আওয়ার মাস ব্রাদারস ম্যাকরিফাইক্সড দেয়ার লাইভস ফর আওয়ার মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ইউ আর হিয়ার টু সো রেসপেক্ট টু দেশ। আন্ডারস্ট্যান্ড?”
- “ইয়েস ড্যাড।”
হিন্দি সিনেমাভক্ত ও ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া মেয়েটি মাথা দুলিয়ে জানালো যে সে বুঝেছে। সত্যিই আশ্চার্য! আশ্চার্যজনক লজ্জা!
(সংগ্রহকৃত)
Comments (8)