চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য যেভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে তাতে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগে তেমন কাজ হবে বলে মনে হয় না। আর নগদ এতো অর্থের লোভ সামলানো কোন সহজ কাজ নয়। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, শুধু মাস্তান কিংবা সন্ত্রাসীরা নয়, চাঁদাবাজির সাথে জড়িয়ে পড়েছে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী এবং একশ্রেণীর পুলিশ সদস্যরাও। এসব বিষয় বিবেচনায় আনলে সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও প্রশাসনকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। আর এ জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও কৌশলের পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ ও নীতিনিষ্ঠাকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু প্রচার-প্রোপাগান্ডার বদৌলতে চাঁদাবাজির বর্তমান সাম্রাজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।