অতঃপর অকস্মাৎ চমকে উঠি
রাত তখন গভীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন,
বাহুর ডান পাশের জানালা তখনো খোলা,
পশ্চিম আকাশের দশমীর চাঁদটা আর দেখা যাচ্ছে না।
স্বপ্ন! অগোছালো মস্তিস্কে সব যেন ধরা ছোঁয়ার বাহিরে
মাথার'পরে পাখা তখনো ঘুড়ছে আপন গতিতে
তবুও সমস্ত শরীর ভিজে ঘিনঘিন অবস্থা।
স্বপ্ন, আজকাল দুঃস্বপ্নের অন্তরায় ঘোরপাক খাচ্ছে
প্রকৃতির এই রাত্রিকাল যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে
তাই স্বপ্ন দেখার আনন্দটা ভীরুতার আবডালে
দোল খায় এখন।
তবুও মানুষ আশা ছাড়ে না স্বপ্ন দেখতে
তবে আমার বেলায় কেন এর ব্যতিক্রম!
স্ব-জোরে একটি দীর্ঘশ্বাস ফুসফুস অতিক্রম করে
দেহের ক্লান্তির কিছুটা লাঘব করলো বলে মনে হলো।
বিছানা ছেড়ে দু'পায়ের উপর ভর করে
সামনের দিকে হাত বাড়িয়ে
প্রীদম জ্বালাতে উদ্গ্রীব হলাম,
অন্ধকারে যেন কারো বাহুর স্পর্শ এড়িয়ে যেতে পারলাম না
এখনো বুঝি স্বপ্নের ঘোরে আছি!
একি! এতো সেই মেয়ে-
সেদিন প্রথম দেখেছিলাম তাকে,
মেয়েটির সভাব নিয়ে প্রথমেই আমার সন্দেহ হয়েছিল
দোলাচল প্রবৃত্তির এই মেয়েটির হাত থেকে
নিজেকে রক্ষা করতে ব্যস্ত ছিলাম সেদিন
কিন্তু পারিনি।
Comments (12)