
কাল রাতে বৃষ্টি নেমেছিলো বুকের মরু চরে
বৃষ্টি জলে ভিজেছিলো তৃষ্ণার্ত বৃক্ষের আত্মা,
আত্মার ভেতর বয়ে ছিলো সেই কবেকার আগ্নেয় লাভা
জলে লাভায় একাকার হয়ে ছুটেছিলো নির্বাণ পথে;
সেই কবে পৃথিবীর তাবৎ নীলিমা ছুঁয়ে ফুটেছিলো রঙধনু
লাজুক কদমের পাপড়ি ছুঁয়ে বৃষ্টির এক একটি কণা
পাখির ডানায় নিবিড় ওম, গোপন বাসনা
সেই কবে পেয়েছিলাম একবার জীবনের পরম আরাধনা।
রাতভর নেমেছিলো বৃষ্টির ধারাপাত
আমার সমগ্র পৃথিবী জুড়ে ভেসেছিলো অগ্নি-স্নাত মঙ্গলদিপ
বুকের গভীরে গলিত লাভা, উপরে মরু চর
পাহাড়ি ঢল বাসিয়ে দিলো আজন্ম পোড়া গহ্বর-
রক্তের কণা, স্বপ্নে বোনা এক একটি বাসর ঘর;
ভেসে গেলো সকল তৃষ্ণা
ভেসে গেলো শিল্পের শৃঙ্খল, সহস্র প্রশ্নের অজানা উত্তর!
কতকাল পর খুলে ছিলাম দক্ষিণা জানালা
বৃষ্টির ছলাকলা মেনে নিয়ে
গতকাল রাতে হাত বেড়িয়েছিলাম প্রিয়তমা নারীর দিকে
এতো নিবিড়
এতো উজাড় নিবেদন! তবুও হয়নি ছোঁয়া তাঁকে
উন্মত্ততার নতুন দহনে নিজেকে ছেড়ে দিয়ে
নির্বাক নয়নে চেয়ে রইলাম কেবল তাহারই দিকে।
-------------------দাউদুল ইসলাম
Comments (10)