পেটের সন্তান কে মা চিনতে পারছে না___
মা বিড়বিড় করছেন, এ আমার
ছেলে হতে পারে না...."কালো কুচকুচে কয়লার বস্তা আমার সন্তান
হয় কি করে?
পঁচিশে পা দেয়া সন্তানটার
চেহারাটা মায়ের মুখস্ত....ফর্সা মুখ!
খোচাখোচা দাড়ি, থুতনিতে একটা তিল,
টগবগে যুবক.....
এই তো,দুই ঘন্টা আগেও দেখেছেন তার
ছেলেটাকে। জাস্ট বাসা থেকে বের
হয়েছিল ভার্সিটিতে যাবে বলে...
দুই ঘন্টায় এত পরিবর্তন? বিবর্তনবাদের
চেয়েও অদ্ভুদ!
পাগলি মাকে বোঝানোই গেল না, এটাই
আপনার নাড়ি কাটা সন্তান!
.
.
এক মায়ের কোলে বড় হওয়া যুবক যখন
বাসে উঠে, তখন নিজের জীবনটাকে হাতের
মুঠোয় পুরে নিতে হয়।
আর এক মায়ের সন্তানের হাতে তখন
"পেট্রোল-বোমা" থাকে...
পেট্রোল-বোমায় বাস-ভর্তি মানুষের জীবন
থাকে, ছুড়ে মারতে পারলেই দশটা লাশ, আর পকেটে দুই
হাজার টাকা.....
ভার্সিটিতে যাওয়া ছেলেটাকে জোর
করে পাঠানো হয় পরপারে।
তারপর,
গুলশান কার্যালয়ে আন্দোলন সফল!
এদিকে বত্রিশটা সন্তান পুড়ে ছাই হলেও
কিংবা, বত্রিশ দিন হরতাল থাকলেও
ধানমন্ডি-বত্রিশ আলোচনায় বসে না....
কিন্তু আলোচনায় আসে হাসপাতালের
বার্ন ইউনিট। বার্ন ইউনিটে আসে মায়েরা।
ওরা সন্তানকে চিনতে পারে না।
বলে, জন্মের সময় সন্তানটা ফুটফুটে ছিল,
কয়লার বস্তা আমার সন্তান না...
আরে পাগলি, বাংলাদেশে জন্মের সময় কেউ
কয়লা হয়না.....মৃত্যুর সময় হয়।
.......ইন পলেটিক্স ইটস সিম্পল!!
→ডিবেটার সাদ্দাম হোসেন।
Comments (6)