প্রতি রাতের অত্যাচারে
ঐ পিশাচের দেহের ভরে
রুদ্ধ আমার শ্বাস,
তুমি ব্যস্ত নিয়ে স্বার্থ
কাঁদি আমি জীবন ব্যর্থ
কেন তুমি করছ এমন কঠিন সর্বনাশ।

আমার কালো আঁধার ঘরে
সপ্নগুলো কেঁদে মরে
পাই না একটু স্বস্তি,
শরীর জুড়ে উঠেছে জ্বর
তুবুও তুমি করেছ ভর
বলছ এটাই মাস্তি।

আমার দুটি চোখের পানি
নিত্য করে কানাকানি
সইতে চায় না আর,
ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যু এসে
বসে থাকে আমার পাশে
মুখটা করে ভার।

তোমার করা আঘাত যত
স্পষ্ট আমার দেহের ক্ষত
কাতরাই বেদনায়,
ভাবছি জীবন দিয়েই দিব
আবার ভাবি কি লাভ পাব
অন্তর দেয় না সায়।

স্বপ্ন দেখে প্রতিটা ক্ষন
শক্তি যোগায় দেহ এ মন
ভাঙো তারে আবার,
প্রয়োজনে কাছে আসো
পিপাসাতে চেপে বস
নেমে আসে আঁধার।
এমন তুমি কেমনে পারো
বাচিয়ে তুলে আবার মারো
পারছি না আর সয়ে,
আঁধার দিয়ে লজ্জা ঢাকি
জীবন আমায় দিচ্ছে ফাঁকি
ব্যথার স্রোতে বয়ে।

পড়বে যে দিন ও দেহের বল
হয়তো সেদিন পাবে গো ফল
আসবে দুঃসময়
আমার মত সইতে ব্যাথা
অনিচ্ছাতে বলতে কথা
সহজ কিন্তু নয়।

প্রতিশোধের আগুন জ্বলে
থামিয়ে রাখি মিথ্যে বলে
সইছি অত্যাচার,
দেহ কিংবা মনের উপর
নিয়ে দেখ তুমি খবর
কেউ সবে না আর।