ওকি ও সুজন রসিয়া,
না ডাকিস মোক বাঁশি বাজাইয়া।.....(মহিলা)

বাঁশিটা তোর কাঁদিছে, মনেতে কাঁটা বিধেছে
ঘরে যা রে বন্ধু, বেলা ডুবেছে। ......(মহিলা)

বেলা ডুবিলে হবে কি, তোর মুখের বাহার খানি,
আঁধার ঘুচায় দিবে স্বজনি। ......(পুরুষ)

ওকি ও সুজন রসিয়া,
না ডাকিস মোক বাঁশি বাজাইয়া।.....(মহিলা)

মুই ছিনু গোলাপ ফুল, তোরে দিছু জাতি কূল,
ছারিয়া দে রে বন্ধু, করিস না আর ভূল। ......(মহিলা)

মোর মনের পরাণ পাখি, তোরে ছারিলে জীবন খানি,
পানি ছারা মাছ হইবে স্বজনী। .........(পুরুষ)

ওকি ও সুজন রসিয়া,
না ডাকিস মোক বাঁশি বাজাইয়া।.....(মহিলা)

মনটা করে দুরু দুরু, তুই মোর ভাবের বন্ধু,
পাড়ার লোকেরা গুজব রটাইছে। ...... (মহিলা)

ফুলে যেমন কাঁটা থাকে, পিড়িতিতে গুজব থাকে,
পান্তা ভাতে লংকা মজিছে। .........(পুরুষ)

ওকি ও সুজন রসিয়া,
না ডাকিস মোক বাঁশি বাজাইয়া।.....(মহিলা)

বাবা মায়ে বকিছে মোক, সবাই ছি-ছা করিছে তোক,
ভূইলা যা রে বন্ধু মন কে মানাই নে। ...... (মহিলা)

গোলাপের পাঁপড়ির মত তোর ঠোঁটের বাহার খানি,
ভূইলা কেমনে থাকবো স্বজনী। ...... (পুরুষ)

(প্রত্যেকটি পুংক্তি দুইবার করে গাইতে হবে)

এতই যখন ভালোবাসিস আজ রাইতে ঘরে আসিস,
বাবা মাকে বুঝাই দুজনে।
তারা যদি রাজি না হয়, ভুলবো দুজন দুজনায়!
আর যদি রাজি হয়, থাকবো সারা জীবন ময়।
তুই মোর হীরা মতি, মুই তোর পরাণের পাখি।... (মহিলা)

চলো তবে ঘরে যাই বাবা মাকে নিরালায় বুঝাই।...(পুরুষ)

ওকি ও সুজন রসিয়া,
ডাক মোক তুই বাঁশি বাজাইয়া,
ডাক মোক তুই সুর ধরিয়া।.....(মহিলা)

>।>।>।>।><।<।<।<।<


...........................................
নিজ বাসভবন, মাধবপুর,
কালিয়াগঞ্জ, উত্তর দিনাজপুর,
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।