মানুষের জীবনে চিরন্তন সত্য দিন এবং রাত। পৃথিবীর ঘূর্ণাবর্তে একটির আগমনে আন্যটি গমন করে। নেত্রযুক্ত মানুষ রঙ্গীন বিশ্বের দৃশ্য দেখে এই মহামায়াময় পৃথিবীটাকে উপভোগ করে, পৃথিবীর প্রত্যেকটি দ্রব্য-দ্রব্যাদি এক কথায় বলতে গেলে পঞ্চ ইন্দ্রী্য়ের সাহায্যে যাই আসে তাই চক্ষু ইন্দ্রী্য়ের সাহায্যে দর্শন যোগে সঠিক জ্ঞান অর্জন করার চেষ্টা করে। এমনকি যিনি অবিনশ্বর তাকেও চক্ষু ইন্দ্রীয়ে দর্শনের জন্য মূর্তির আকার দিয়ে দর্শন যোগে
তার সান্নিধ্য লাভ করতে চায়।

কিন্তু আমি যে নেত্রহীন আমার দিন রাত বলে কিছু নেই, শুধু আঁধার আর আঁধার। দূশ্যমান মহামায়া যুক্ত এই ধরণী তটে সবই আমার অদৃশ্য।
দৃশ্যতার ভাবনা আমার নিকট নিত্যান্তই বূথা। তবে কি আমি পাবো না সান্নিধ্য লাভ করতে-সেই স্রষ্টার যে এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের স্রষ্টা, অধিপতি ও পরিচালন কর্তা। আমিও যে চাই তার সান্নিধ্য লাভ করতে।তবে তা পঞ্চ ইন্দ্রী্য়ের সাহায্যে নয় ষষ্ঠতম ইন্দ্রীয় মনেন্দ্রীয়ের সাহায্যে তাই তাকে আমি ঠাঁই দিয়েছি আমার অন্তর্যামী হিসাবে, তাকে দেখেছি আমি আমার হৃদয়ের দর্পণে।