একটা দিন পার হলেই বসন্তের আগমন। এই বসন্তে কিছু বস্তা পচা গান ফেরি করতে মন চাইলো। কেউ অবসর থাকলে গান গুলো শুনে দেখতে পারেন।
১। বসন্ত এসে গেছেঃ বসন্ত শুরু হোক বসন্তের গানেই। অনুপম দা'র সুর ও সঙ্গীতে লগ্নজিতা চক্রবর্তীর কণ্ঠে গানটি বেশ মানিয়েছে। পাগল কবি (পল্লব ভাই) এই লেখা পড়ে থাকলে ধরে নিন গানটি আপনাকে আর ভাবিকে উৎসর্গ করলাম। সাথে দিহান কে ও। :)


২। কে তুই বল?- আরিজিতের গায়কী নিয়ে কিছু বলাটা বারাবারি। জিত গাঙ্গুলী কে বিশেষ ধন্যবাদ, গান অনুযায়ী সঠিক শিল্পী নির্বাচনের জন্য। এই ভালবাসা দিবসে আপনাদের প্রিয়জনকে গেয়ে মুগ্ধ করতে পারবেন। বিফলে মূল্য ফেরত। :D। যাইহোক, গানটি উৎসর্গ করছি আমার ভাইয়া আসিফ ও সাখি ভাবিকে। সংসার জীবন সুখী হোক। <3


৩। ভালবাসা দাও, ভালবাসা নাওঃ সামনে ভালবাসা দিবস, ভালোবাসার গানই কেন জানি কানে বেশি বাজছে। তারুণ্যের কবিরা গানটি শুনে দেখতে পারেন, নতুন কোন ভালোবাসার কবিতার থিম পেলেও পেয়ে যেতে পারেন। আর তারুণ্যে লিখে ফেলুন প্রেমের কবিতা। :)। গানটির গায়ক ও সুরকার হাবিব ওয়াহিদ। সংগীতে সাজিদ সরকার।



৪। এ তুমি কেমন তুমিঃ কিংবদন্তীর হাতে তো জাদু থাকবেই। এ নিয়ে কিছু বলাটা মার কাছে মামার বাড়ির গল্প করার মত। অনেকেই শুনেছেন, তবুও বলছি, গানটি আরও কয়েকশ বার শুনুন। কবির সুমনের কথা, সুর ও সংগীত আয়োজনে রূপঙ্কর বাগচীর গাওয়া।


৫। অরণ্য রাতঃ বাংলা গানের জগতে "সালসা" মিউজিকের ব্যবহার বোধয় এটাই প্রথম। ভিন্ন স্বাদ পাবেন। অনুপম দা' সালসার প্রবর্তনেও সফল- আমি মনে করি। কথা, সুর, সংগীত, গায়কী সবই তিনি।


৬। এই মেঘলা দিনে একলাঃ পাকিস্তানে "কোক স্টুডিও" নামে একটি গানের অনুষ্ঠানের প্রচলন আছে। এর বিশেষত্ব হল- সকল বাদ্য যন্ত্র ও বাদক থাকবে। একজন গায়ক চাইলে যত খুশি, যেভাবে খুশি বাদক ও বাদ্য যন্ত্র নিতে পারবেন। এবং কোন প্রকার সফটওয়্যার ও অটো টিউনের ব্যবহার ছাড়া গান গাইতে হবে। মূলত এর মাধ্যমে গায়কের কণ্ঠের প্রকৃত দিক টি পরিমাপ করা যায়। অনেকটা সেই আদলে ভারতেও বোধয় এর ব্যবহার শুরু হয়েছে। হেমন্ত মুখপাধ্যায়ের গলায় এই কালজয়ী গানটি সবাই শুনেছেন। এবার অনুপমের গলায় শুনে দেখুন, ভালো লাগবে আশা করি।



আর প্যাচাল পারলাম না। গান ভালো না লাগলে দুঃখিত। ভালো থাকুন সবাই। সবাই কে ফাগুনের আগুন লাগা সুভেচ্ছা।