ভদ্রলোকের বাড়ির পূজো,
অথচ অভদ্র মেয়েরা সব।
এ পূজোয় নিষিদ্ধ দুর্গার আঙিনার মাটি চাই
তা জানি না, এও কি সম্ভব?
কলপাড়ে পড়ে থাকে বেহুলার ভাঙা শাঁখা,
গর্ভের রক্ত, নাকি পলা এসব?
চিহ্ন গুলি না থাকলেও বেহুলার মনটা থাকে,
শরীর জুড়ে আশৈশব।
সামাজিক নারী হবার ইচ্ছেটুকু তবুও যায় না।
মরণ হোক এসব ইচ্ছের,
ভাত জুটলে বাপের নাম, ভেবেছ দুর্গা জানে না?
সাদা গ্লাস হাতে যে "জান" ডাকে,
লাল গ্লাস হাতে সেই দাম হাঁকে।
দুর্গাও দু'ঠোটে লিপষ্টিক মেশায় দুভাগ,
খুব হাসে।
আর ভেতরে ভেতরে কাঁদতে ভালবাসে।
তবু কান্না বন্ধ হ্য় পেটের টানেই,
সং সেজে রাস্তায় দাঁড়ায় দুর্গা পেটের টানেই।
দুর্গা বোঝে,
জীবনকে তো বাঁচিয়ে রাখা চাই,
দুর্গা জানে,
মৃত্যুকে তো মারতে হয়ই।
পেটের ভাতটুকুও জোগাতেই হয় তাই।
দুর্গা তাই নতুন করে জীবনের জয়ধ্বনি দেয়।
দুর্গা তাই নতুন করে আগমনী গান শোনায়।
দুর্গা তাই নতুন করে পথে দাঁড়ায়।
দুর্গা তাই নতুন করে ১০ টা.-২০ টা.-য় বিক্রি হয়।
ভদ্রলোকেরা দুর্গাকে কেনে ১০ টাকা বা
২০ টাকায়।
Comments (15)