বড় ই নীরব জাতের জাতে
আব্দুল কাদির মিয়া
=============
দেখরে দাদা কাঁদবি হেসে,
রক্তের গাছে ঝটকা পাখি রক্ত জোরে কুদায় নেচে।
বলতো দাদা কেমন গাঁধা,
বুঝলোনা সে ফল দিবে কে?
রক্ত পেতে লাগলে ক্ষুধা।

শোনরে দাদা গোলা ঘরে,
ধান খুটে তোর ইঁদুর চোরে।
গোঁফ নেড়ে তাই বোখা বিড়াল,
খেপটি মেরে পড়লো ঘাড়ে।

শিকার পেয়ে বিড়াল খুশি-
তবুও ভাগ্য করলো দোষী,
নইলে তোকে এত খুঁজি?

আজ শনির দশা কাটলো বুঝি।
বলতো দাদা বুঝবো যাতে,
পরলে ইঁদুর বিড়াল ফাঁদে।
জান বাঁচাতে কাঁদলে ইঁদুর,
পালালে কেন বিড়াল কাঁদে।

নাতি আমার বেজায় বোকা,
কাঁদে যে কিসে বুঝোনা সে তা।
ক্ষুধার জ্বালা পাইলে দিশে,
বুঝবি বিড়াল কাঁদলো কিসে।

কিরে দাদা একি কথা,
মতিভ্রমে তোর পাইলো মাথা,
মিটলে ক্ষুধা রক্তে নাচে,
নইলে যে তা আবারো কাঁদে।

নাচা কাঁদার এত গৌরব,
সহে কেমনে নীরব গাছে?
বকিস কিযে বাজে কথা,
ঠিক যে আমার বুড়ো মাথা।

উত্তরসূরী শক্ত গোড়া,
দান বীর অধিক শান্ত ওরা।
বিলায় ওদের হাত খুলিয়ে,
বল হারাদের পিঠ বুলিয়ে।

কেউবা খেয়ে মুগ্ধ ওরা,
কুদে যেজন ধৈর্য হারা।