লজ্জাবতীর লজ্জা নিয়ে
চাঁদ থেকে জোসনা মেখে
কাজল ঘেরা পল্রীগাঁয়ে
জন্ম হল যার,
মা বাপে নাম রেখেছে
ফালানী তার।
দাঁতগুলো সব ইদুঁর ছানার
চুলগুলো সব বিজয় নিশান
হাঁসি মুক্তোর হার।
নাকটি তাহার কুড়িয়ে পাওয়া
ঠোট করেছে ধার।
দুঃখের দিনে কাঁদতো সে
হাসতো সুখের দিনে,
সব কিছু তার হারিয়ে গেছে
বিয়ের দাঁড়ি টেনে।
কান কথা সে শুনে না
গোপন পেটে রাখে না
ভাল মন্দের মাপ কাঠিটা
ভেঙ্গে গেছে তার,
বাড়ির লোকে দোষ করে
তার উপর হয় পার।
হাসবে বলে সুখের বিয়ে
অকালেই পায় তারে,
সুখের স্বর্গ হারিয়ে গেছে
স্বামীর অত্যাচারে।
দশটি বছর কেটে গেছে
বিয়ে হয়েছে তার,
মা ডাকে কুলভরেনি
একটু দয়া হয়নি বিধাতার।
নামের গুনটাই মুচকি হেসে
দিল তাকে দেখা,
সোনার শরীর দেহতো নয়
শত রোগে মাখা।
জীবন নামের সামাজিকতা
গ্রাস করেছে তারে,
ভাবছি আমি এর জন্য দোষবো কাকে
মানুষ নাকি মানবতাকে?
Comments (15)