আমার কিছু কিছু অনুমান সত্যি হয়। অতীতে হয়েছে। আজ একটা কথা বলছি- ২০২৪ এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলণের পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশ চালাবে কম করেও তিন বছর। এর অধিক সময়ও হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী উপদেষ্টাদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। তারা দেশ সংস্কারের জন্য কিছু ভালো ভালো কাজ করবেন। কিন্তু যত ভালো কাজই করুন না কেন-এই সময়ের মধ্যে (বাংলাদেশের তৈরি গণতান্ত্রিক চশমা পরা) দলের নেতারা সরকারকে পঁচিয়ে ফেলতে সমর্থ হবেন। কেননা- ডঃ ইউনুস সাহেবের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দৃশ্যমান কোন উন্নতি দেশকে দিতে পারবেন না। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে হতাশা বাড়বে। বাড়বে দেশ-বিদেশের চাপ। ফলে তাঁকে বাধ্য হয়ে নির্বাচন দিতে হবে। সাধারণ মানুষ আবারও দুর্নীতির আন্ডারওয়ার পরিহিত কোন ফ্যাসিস সরকারের লোহার জালে বন্দী হতে ব্যকুল হয়ে উঠবেন ।
নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন হবে। সকলে ঐ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন। হয়তো হাসিনা-খালেদা দুজনের কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না কিন্তু তাঁদের উত্তরসুরীরা (দলীয় লোকজন) ক্ষমতায় এসে যাবে। ইতিমধ্যে দেশ কিন্তু সবদিক থেকে পিছিয়ে যাবে অন্ততঃ দশ বছর। কাঙালের কথা মিলিয়ে নিবেন।
Comments (3)