(এক)
সামনে একরাশ অনিশ্চয়তা --
কুয়াশার মত সব আবছা-অস্পষ্ট;
হেরোইন হাতের কনকনে রাংতা
ঝাপসা আলোদের আড়ষ্ট করেছে,
বুজে আসা চোখে।
রাস্তা হারিয়েছে মানুষ
রাত শেষ হওয়া শহরের শরীরে
আগুন পোহানো নীরবতার উপেক্ষায়
সচেতনতা ভিজে চুর ঘাসের শিশিরে
এই অজানা-অচেনা বেকারত্বের দেশে …
(দুই)
উল্কি আঁকা সেই হাত যে নিঃশ্বাসে
এত কামনার ফুলকি ছড়াবে কে ভেবেছিল!
শরীর সঁপে দিয়েও স্থির থাকা যায়নি,
একমুহূর্ত ঘাম ঝরেছিল বিদেশী সুবাসে
যেন হারিয়ে অন্য কোথাও
অন্য কোনো দেশে কেবলই সুখের
ঢেউ আছড়ে আলতো ব্যথার সাথে
ফ্ল্যাটের সোফায় এলিয়ে আলোছায়া চোখের
পাতায় লেপটে এক ধুলোপড়া ছবি,
হিজিবিজি লিখছে কবি শখের আসরে …
(তিন)
হাতপাকানো কৌশল মসৃণভাবে ভারী
পকেট হাল্কা করে দেয় ভিড়ের রাতে,
লাঠিধরা ঊর্দির আলসে ঘোরাঘুরি
এড়িয়ে একবার হাঁটতে চায় বড়োলোকদের লাইনে।
মন্ডপের সামনে কত কত সুন্দরী পোশাক
স্বপ্নেরা দু’চোখ বেয়ে ঘনিয়ে আসে
পাতলাভাবে খাবারের হাতছানি
কাঁচে ঘেরা সাজানো বাক্সের ভেতর থেকে,
মানিব্যাগ খুলে একটাও তো কাগজ নাই,
ক্ষুধার্ত চোখ জীবনের খোপ তন্নতন্ন হাতড়ে ফেরে …
মন্তব্য (2)