ঘঞ্চার মাতলামি
কদিন ধরেই ঘঞ্চা যেন কাতর ছিল শোকে,
কারন নতুন করে ঘর বাঁধছে কিছু পাড়ার লোকে।
মাস যে বিয়ের সুন্দরী বৌ আরও মজা কত বাকি,
আর থাকবে কপাল মুখ ফিরিয়ে তাকে দেবে ফাঁকি।
তেলিয়ে অনেক লাভ হয়না মায়ের হয়যে মেজাজ গরম,
বলে কোন মুখে কস বিয়ের কথা নাই যে লজ্জা শরম।
মায়ের কথায় ক্ষিপ্ত ঘনা বলে আজ মরবো ডুবে জলে
মা বলে তুই ডুব সাঁতারু আমি ভুলছি না তোর ছলে।
রেগেমেগে ঘঞ্চা এবার গেছে কাল্লু দাদার ডেরায়,
গুনে গুনে বোতল খেল মদের খান তিনটে প্রায়।
ঢুলুঢুলু চোখ সাপের চালে ঘনা এদিক অদিক দোলে,
যাবে নাকি নাইতে গাঙে শুধু একটা সাইকেল হলে।
কোত্থেকে জোগাড় হল শুধু বসতে দেরি সীটে,
দুঃখের বিষয় নেই ক্ষমতা সাইকেলটার ভার নিতে।
একটু উঠেই ধপাস ধুপুস আছার খাওয়া কটি,
ধুর ছাই যা না চুলোয় বলে ফেললো পায়ের চটি।
পথের পাশে কলে কজন কাঁচতেছিল জামা - কাপড়,
টাল হারিয়ে ভিরিয়ে দেবে বলছে সবাই এই সরসর।
গায়ের জ্বালা এই সুযোগে জমা যত রাগ অভিমান,
জমান গালি খালি করে আরও দুখান কিন চর দেন।
কোনমতে কাহিল ঘনা উঠে একটু হাঁটা করলে শুরু,
পিছুন থেকে গুতিয়ে দিলে একটা ইয়া কালো গরু।
বিয়ের ঝোঁকে ও পাগলা ঘনা এখনও যে বুঝলিনা,
আগেই যে তুই বেহুশ মাতাল বিয়ের আশা আর করিস না।
মন্তব্য (2)