রূপা, তুমি আমার মুখোমুখি হলেই
ইচ্ছে করে
সমস্ত নিয়মকানুন ভেঙে ফেলি।
মনে হয়
কিছুই রাখবনা আর তাসের ঘরের আদবকায়দা।
আজ থেকে তুমি শুধু হুকুম করবে
আর আমি শুনব।
তার আগে আমার হাত ধরে, আমাকে তুমি নিয়ে চলো
অন্ধকারে, ঐ আড়ালটায়।
এলোমেলো অন্ধকারে আমরা আমাদের এই গুপ্ত ছদ্মবেশ ছেড়ে
পরস্পরের কাছে চেয়ে নিই : যার লাগবে যা যা।
এই সময় !
দুঃসাহস করে আমি মেখে নিই
তোমার প্রচ্ছন্ন বুক থেকে চুরি করা কিছু মুকুলিত পরাগ।
তোমার বাতি সাজানো খোলা পেটে বারবার চোখ রেখে
শুধু সেইসব দৃশ্যগুলোকেই মনে পড়ে যায়।
তোমার অপূর্ব-অসহনীয় রূপের সামনে
আমাকে রেখে চিনে নাও— আমি কত অসহায় ?
তোমার এইমাত্র ঘুম থেকে জেগে ওঠা, ঘামে ভেজা শরীর থেকে
আত্মসন্তুষ্টির প্রবল তোলপাড় আওয়াজ শুনলে
সেখানে আমি শুধু আমাকেই খুঁজে পাই।
নিজেকে তোমার মাঝে সমর্পন করে
জীবনে প্রথমবার তোমার ঊরুর মধ্যে হাত রেখে
কিছু খোঁজার প্রার্থনা জানালে
আমার সেই অবোধ প্রার্থনাকে তুমি মঞ্জুর করবেনা ?
শুধু তারপরই ফিরিয়ে দেবো
তোমাকে তোমার নাম।
প্লিজ, রূপা
তুমি কবিতা হয়ে যাও।
তুমি মিসেস সামন্ত হয়ে যাও।
মন্তব্য (2)