জলকেলির শরীর ছুঁয়ে উড়ে যায় মেঘবতী মেয়ে
কেতকী মনের গহীনে জল রঙে ছড়িয়ে দেয়
মেঘডুম্বুর শাড়ি পরে তন্বী মেঘের ছায়া।
কামিনীর কোমলতা লাজুক লজ্জাবতী হয়ে
উঁকি দেয় হৃদয়ের আঙ্গিনায়।
হারানো প্রিয়ার ঘোমটা হঠাৎ খুলে গেলে
লাবণ্যময় মুখের একবিন্দু ঝিলিক
যেমন বিরহ কাতর প্রেমিকের চোখের লেন্সে ধরা পড়ে
ঠিক সে ভাবেই অথৈ বৃষ্টি জলের
রিমঝিম সুর দু’চোখের ক্যনভাসে
এঁকে দেয় বিদ্যুৎ আলোর স্বপ্নীল আলপনা।
নিকোটিনের হলদে ধোঁয়া মিশে যায়
হৃদয়ের তীর ছুঁয়ে ওপাশের জানালায়।
যেখানে কেতকী কামিনী হাত ছুঁয়ে নুয়ে পড়ে
আষাঢ়ের থৈ থৈ বৃষ্টির জল।
হাসনাহেনা রজনীগন্ধার সুবাসে
একচিলতে নির্লিপ্ত মন নিপুন ভাবে করে উন্মনা
মেঘবতী মেয়ে কেবলই দেয় হাত ছানি
প্রবল উন্মদনায় সারা বেলা।।
২৯/১১/২০১৫
মন্তব্য (33)