সাদা পর্দা ঘেরা জানালার ওপাশে কিছু সবুজ। আমি বলি ভালোই লাগছে ,খারাপ কি।লেখার অভ্যেসটা হারিয়েছে তাতে কি।ভাবের দুয়ারে যে মনের নিত্যদিনের আনাগোনা তার আবার কিসের অনুমতি।আমি অবাক তাকিয়ে দেখি না আর।আর দেখিনা কেন হল এমন প্রশ্নের বাঁক। চারপাশে শুধু সত্যির ভীড়,হাজার হাজার,লাখ লাখ বছরের সত্যি । তুমি এ সত্যি জাননা,সে মন তোমার নেই।বাস্তব প্রমোদে ব্যস্ত মনেদের সময় কি ভাবার। যদি ভাবতে তবে দেখতে ভীষণ অসহায় আমরা।কত যে প্রশ্নে বিদ্ধ আমাদের অস্তিত্ব ,কত যে ঠুনকো। এ মগজ ,এ মন আর
শরীর নিজের ইচ্ছেমতো চলে না। কারো না কারো ,কোনো না কোনো কারণের আশ্রয়ে তার চলতে হবেই।তবে একে আমি স্বাধীন কিভাবে বলব? যা স্বাধীন নয় তাকে কিভাবে চিরসুখ বলা যায়? চিরসুখ ছাড়া শান্তির অস্তিত্ব বা কোথায়। বদ্ধ রুমের কোণ থেকে বেড়িয়ে আমি পৃথিবী দেখছি। দেখছি ,শিখছি কিন্তু অবাক হচ্ছি না।এর থেকে বেশি কল্পনা করে নিয়েছি আমি।আজ মনে হয় জীবনের আসল স্বাদ বাস্তবতার বাইরে। যেখানে দু একজন উন্মাদ নারী ,পুরুষ ছাড়া কারোর আনাগোনা ঘটে না। উন্মাদের definition যদি দিতে বল তাহলে আমি বলব উন্মাদনা আপেক্ষিক ব্যাপার। আজকাল বাস্তব জীবন থেকে আলাদা হয়ে থাকাকে উন্মাদনা বলা হয় কিন্তু এক ই একঘেয়েমি জীবন কাটানো, এক ই চিন্তাভাবনাকে ধরে রাখাকে appreciate করা হয়। মদ আসক্ত ব্যক্তি নিজে জানে না কেন সে আসক্ত বা আসক্তি কি।নেশাই তার কাছে ধ্রুব তত্ত্ব বলে মনে হয়। আমাদের সমাজের দশাও তেমন। সত্যের সাপেক্ষে মিথ্যা মিথ্যাই আর মিথ্যের সাপেক্ষ সত্য ধ্রুব মিথ্যা। উন্মাদনার চিত্রটাও এমন। কখনো কখনো পৃথিবীর অস্তিত্ব থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া প্রয়োজন।এখানে আদিম যুগের অতিপুরানো প্রবণতার application ছাড়া তেমন ভালো কিছুই নেই।

Time: 8:36 a.m.

কয়েকপশলা ঝড়ের পর আবার লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। পৃথিবীর উপর থেকে বন্ধন কেটে যাওয়ার মুহূর্তগুলো হয়ত এমনই হয় !