নুনতা স্বাদের এ জীবন।
নেই কোন কোলাহল।
একা আমি।
নিস্বঙ্গতা আর একাকীত্ব দুটোই ছিল আমার আঁধার জীবনের সঙ্গী।
গত্‍ বাঁধা গন্ডির ভিতরেই আমার অবাধ বিচরণ।
শেষ সীমানা বৃত্তের পরিধি।
ক্ষুদ্র কেন্দ্রবিন্দুকে ঘিরে ঘোরাটাই ছিল একান্ত কাম্য।
হাজার হোক গলে পঁচে যাওয়া মস্তিষ্ক নিয়ে ত আর পরিধি পেরোনো যায় না!

ক্ষয়ে যাওয়া এ কালচে হৃদয়ের স্বাধীন আকাশের আলো দেখা কেবল স্বপ্নেই সম্ভব ছিল বোধ হয়।দখিনা বাতাসে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়াটা ছিল কাল্পনিক একটা ব্যাপার!

কোন এক কারনে অস্তিত্বহীন এক ক্ষুদ্র মানবের প্রস্থান ঘটেছে শুন্য বিন্দুর ভেতর হতে।অনন্ত কালের এ অসীম যাত্রায় বেদুঈন নামধারী হয়ে বিচরণ করতে চাই ঐ ধূসর মরুভূমির বক্ষে,
এঁকে দিতে চাই পাদুকার চিহ্ন ভয়ংকর ঐ হিমালয়ের চূড়ায় কিংবা নবীনের রুপ ধরে হারিয়ে যাবো শেষ বেলার অভিযাত্রীদের মাঝে।
নজরুল কিংবা সুকান্তের কবিতা গুলো রুপ দেখবে বাস্তবতার।

দেখে নেব আজ এ যাত্রার শেষ বিন্দু কোথায়!