আড়-মোড় দিয়ে
কাঁথাটা টানছি বার বার।
এক চোখ বের করে
কাঁথার ফাঁক দিয়ে, আবার
মুখভর্তি কাঁথা নিয়ে, হা…… করে
তাকাচ্ছি…………
চোখ বড় করে তাকাচ্ছি।
কি যেন লোমহর্ষক ছায়া
আপদমস্তক দাবিয়ে গেল আমাকে।
প্রদীপটা জ্বালাতে গিয়ে
হাত পুড়তে বসা, এমন খারাপ লাগা থেকেই
জ্বলে উঠলো রক্তিম প্রদীপের চূড়া।
একদিকে ঘুম ভাঙানো স্বপ্নের প্রদীপ,
অন্যদিকে বৈশাখের বিভ্রান্ত সকাল।
কাঁথাটা ফিকে মেরে
মহাজাগতিক সকালের সূত্র কষে
দুরন্ত আবেগের উড়ন্ত ছোঁয়ায়
লাফ-ঝাপ-দৌড়ে গিয়ে
শ্যাওলা ধরা ছাদে হুঁচোট খেলাম।
আর আমি শুধু অর্ন্তবাস পরা ছিলাম বলেই
দু’মুঠো মেঘ গুমরে কেঁদে উঠলো।
মন্তব্য (8)