প্রকৃতির সঙ্গে কবিমনের
সম্মোহিত মিলনে
হৃদয়ের জরায়ুতে স্খলিত হয়
ভাবনার এক বিন্দু উদাস বীর্য।।
অতঃপর কিছুক্ষণ…
অথবা কিছুদিন…
কিংবা সুদীর্ঘ কাল…
কবির নির্ঘুম চোখ বুজে থাকা।।
কোন এক মলিন সন্ধ্যায়
কিবা চঞ্চল প্রভাতে।।
গজিয়ে উঠে হঠাৎ কবিতার শিকড়
সুপ্ত বীর্য ফুঁড়ে,হৃদয়-মৃত্তিকা বিদীর্ণ করে-
দুর্বল অথচ ভূবনজয়ী ক্ষমতা নিয়ে।।
কলম-কাগজের নিঃশব্দ ঘর্ষণে
অঙ্কিত হয় কবিতার চোখ মুখ -
হাত পা প্রতিটি অঙ্গ;
তবে তার হৃদয়কে বিছিয়ে দেয়া হয়
কবিতার তুলতুলে সর্বাঙ্গে।
কাব্য-সন্তানের প্রাণোচ্ছল চেহারা দেখে
হেসে ওঠে কবি
সুখ পায় পৃথিবী।।

-১০/০৯/২০২৬