কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়
মানুষ হত্যা করে যারা নির্বাচনকে কলুষিত করেছিল, যারা অসংখ্য অসহায় মানুষকে পুডিয়ে মেরেছিল, যারা যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করতে চেয়েছিল, যারা দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, যারা দেশবিরোধী অপকর্মে লিপ্ত আছে তাদের বিচার করা হচ্ছে। কেউ কেউ খুব গণতন্ত্রের জন্য ইদানীং ভীষণভাবে সোচ্চার। এ দেশের নির্বাচনকে কলুষিত যারা করেছিল আজ তাদের মুখেই গণতন্ত্রের কথা শুনলে আসলে হাসিই পায়।বিশেষ দলের নেতাদের মুখ থেকে যখন এসব কথা বের হয়, গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়, এটাই সবচেয়ে দুঃখজনক যে কাদের কাছ থেকে আমাদের গণতন্ত্র শিখতে হবে, গণতন্ত্রের কথা শুনতে হবে। তারা যে শত শত নিরীহ মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ট্রেনে সাধারণ যাচ্ছে তাদের আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত অবশ্যই তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। মিথ্যা মামলা কারো বিরুদ্ধে দেওয়া হয়নি। আর দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং করেছে বলেই তো তাদের বিরুদ্ধে মামলা। রাজনীতিকেরা সাধারণত আত্মসমালোচনা করেন না। তাঁরা অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে অন্যের দোষ খুঁজে বের করলেও নিজের দোষ দেখেন না। বিশেষ একটি দল এবং তাদের জোট জনগণের কথা না ভেবে শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে নির্বাচনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা দেশের কথা না ভেবে দেশের মানুষের কথা না ভেবে নিজেদের ক্ষমতার কথা নিয়েই শুধু চিন্তা করছে। অতীত আন্দোলনে বিএনপি জনগণের ওপর ভরসা না করে পেট্রলবোমা ও গুপ্ত হামলার ওপরই ভরসা করেছে। রাজপথে পুলিশের মাথা থেঁতলে দেওয়া কিংবা গুপ্ত হামলা চালিয়ে নিরীহ নারী পুরুষ ও শিশুদের হত্যা করা কোন আন্দোলণের কাজ নয়। তাই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এভাবেই দিনে দিনে মানুষের মন থেকে ঘৃনা ভরে মুছে যাচ্ছে দেশের প্রাধান বিরোধী দল। অপরাজনীতি, সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ আর নৈরাজ্যের জন্য একসময়ের ক্ষমতায় থাকা দলটি আজ বিশ্ব আদালতে সন্ত্রাসী দল হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।তাদের অপকর্মের চোরাবালিতে হাভুডুবু খেয়ে দলটি হয়ত চিরতরে হারিয়ে যাবে অতীতের নিকষ আধারে।
মন্তব্য (3)