আপন মহিমায় এগিয়ে চলছে সোনার বাংলা
তৃতীয় বিশ্বের দেশ হলেও বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে গৌরবজনক এটি দেশ। এ গৌরবের অংশীদার প্রধানত এ দেশের খেটে খাওয়া জনগণ এবং সরকার। এ দেশের মানুষ পরিশ্রমী। দেশের অভ্যন্তরে যারা কাজ করেন দেশের উন্নয়নের জন্য, তাদের বিপুল অংশ শোষিত হয় মালিক শ্রেণির হাতে। এভাবে যারা বিদেশে কর্মরত তারাও নিরুপায় হয়ে গতর খাটেন এবং উপযুক্ত পারিশ্রমিক পান না। এত সংকট ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে সাড়ে চার দশকে বাংলাদেশ আপন গতিতে এগিয়ে চলছে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে। ‘৭২ সালের যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ আর ২০১৬ সালের বাংলাদেশ এক নয়। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলেছিলেন আর সাবেক এক মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন ‘এশিয়ার রাজা’। বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের রক্তে মিশে আছে গণতন্ত্র। বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার দেশ।’ তলাবিহীন ঝুড়ির অভিযোগ এখন সাফল্যে পরিণত হয়েছে। যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ছিল বড় বাধা। যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল বাংলাদেশকে পরাজিত করার জন্য তারাই আজ বাংলাদেশের প্রশংসা করছে। প্রশংসা শুনে আমরা নিজেদের দেশের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে উঠি। নানা সমস্যা আর সংকটের পাহাড় ঠেলে ঠেলে সামনের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এটা আমাদের জন্য বড় অর্জন। আমরা পরিশ্রমী আত্মবিশ্বাসী বলেই এগোতে পারছি। যে জাতি ভাষার জন্য রাজপথে রক্ত দিয়েছে, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে তাদের তো কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকার কথা নয়। বাঙালি জাতি হার মানার নয়। আমরা আর পিছিয়ে থাকতে চাইনা। আমরা চাই উন্নত বিশ্বে পদার্পণ করতে।
মন্তব্য (5)